আবহমান কাল থেকেই বাংলাদেশে সরিষার চাষ হয়। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ রান্নায়, ঠাণ্ডা সারাতে, নবজাতকের যত্নে সরিষার তেল ব্যবহার করে থাকেন। আগে নিজ বাড়িতে সরিষার তেলের ঘানি ভাঙালেও এখন আর তেমনটা চোখে পড়ে না। বর্তমানে বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। শরীরের যত্নে বাজারে হাতের কাছেই পাওয়া যায় নজরকাড়া ঘ্রাণের দেশি-বিদেশি লোশন।
তবে বাজারের বিভিন্ন ধরনের লোশনের ভিড়ে টিকে আছে গ্রামবাংলার মানুষের কাছে প্রিয় সরিষার তেল। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সরিষার তেল বিভিন্ন ধরনের রোগ-প্রতিরোধে সাহায্যে করে। কিন্তু এই বিষয়টি আমাদের অনেকেরই অজানা।
সরিষার তেল কীভাবে রোগ-প্রতিরোধে সাহায্য করবে এ বিষয়ে জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।যুগান্তর পাঠকের জন্য থাকছে সরিষার তেল কীভাবে বিভিন্ন রোগ-প্রতিরোধে সাহায্য করে।
আসুন জেনে নেই সরিষার তেলে বিভিন্ন গুণাগুণ সম্পর্কে।
ঠাণ্ডা-কাশি কমাতে
সুপ্রাচীন কাল থেকে ঠাণ্ডা-কাশি সারেতে সরিষার তেলের জুড়ি নেই। সরিষার তেল শ্বাসতন্ত্রের বাধা পরিষ্কার করে; অ্যাসমা ও সাইনাসের সমস্যা কমায়।
ব্যথা কমায়
ব্যথা কমাতেও সাহায্যে করে সরিষার তেল। সরিষার তেল গাঁটের ব্যথা ও ফোলা কমাতে ভালো কাজ করে।এছাড়া সরিষার তেলে থাকা প্রদাহরোধী উপাদানের জন্য এটি রিউমাটিসজম ও আরথ্রাইটিস কমায়।
মাড়ির শক্তি বাড়াতে
মাড়ির শক্তি বাড়াতে সরিষার তেল বিশেষভাবে কাজ করে।এটি প্লাক কমাতে ও দাঁত ব্যথা কমাতেও কাজ করে।
হৃৎপিণ্ডের রোগ-প্রতিরোধ করে
সরিষার তেলে ওমেগা তিন ও ওমেগা ছয় ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এটি হৃৎপিণ্ডকে স্বাস্থ্যকর রাখে। তাই হৃৎপিণ্ডের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে রান্নায় নিয়মিত সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া শরীরের বাজে কোলেস্টেরল সরিষার তেল কাজ করে।
ক্যানসার প্রতিরোধে
সরিষার তেল পাকস্থলীর ক্যানসার ও কোলোন ক্যানসার প্রতিরোধে উপকারী। তেলের মধ্যে থাকা গ্লুকোসাইনোলেট ক্যানসার ও টিউমার প্রতিরোধ করে।

0 comments: