Showing posts with label Mastard Oil. Show all posts
Showing posts with label Mastard Oil. Show all posts

Friday, September 9, 2022

ওজন কমাবে সরিষার তেল

ওজন কমাবে সরিষার তেল

 ওজন কমানো বা স্বাস্থ্যকর ডায়েটের কথা চিন্তা করলেই বেশিরভাগ মানুষ সবার আগে যে বিষয়টি নিয়ে ভাবেন তা হলো রান্নার তেল। অনেকেই বলেন, সব ধরনের তেলই ওজন কমানোর বিরুদ্ধে কাজ করে। আবার অনেকে মনে করেন, ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের তেলের গুরুত্বপূর্ণ কোন ভূমিকা নেই। ওজন কমানোর সঙ্গে তেলের সম্পর্ক নিয়ে এ ধরনের বিতর্কের শেষ নেই। কিন্তু এমন কোন তেল কি আছে, যা আপনি ওজন কমানোর সময় কোন ধরনের শঙ্কা ছাড়াই খাবারে যুক্ত করতে পারেন? হ্যাঁ আছে। আর সেটি হলো সরিষার তেল। এটি এতোটাই স্বাস্থ্যকর যে, খাবারে ব্যবহার করলে আপনি খুবই ভালো ফল পাবেন। চলুন দেখা যাক, সরিষার তেল কীভাবে আপনার ওজন কমাতে সাহায্য করে।

সরিষার তেল যেভাবে ওজন কমায়
সরিষার তেল শরীরের পরিপাকক্রিয়াকে দ্রুত করতে অনেক বেশি সাহায্য করে। এর প্রধান কারণ হলো, এই তেলে ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের উপস্থিতি। ভিটামিন বি কমপ্লেক্সে উপস্থিত দুটি উপাদান, নায়াসিন ও রিভোফ্লাভিন খাবারকে দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে যা ওজন কমাতে খুবই সহায়ক।

সরিষার তেলের আঠালো ভাব ও ঝাঁঝালো গন্ধের কারণে অনেকেই খাবারে এটি এড়িয়ে চলতে চান। তবে সঠিক তাপমাত্রায় রান্না করলে এটিও অন্যান্য তেলের মতোই হয়ে যায়। এই তেলে ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিডসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে। এসব স্বাস্থ্যকর ফ্যাট শুধু খাবারের স্বাদই বাড়িয়ে দেয় না, বরং রক্তে চর্বির পরিমাণও অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রাকৃতিকভাবেই পেটে জমা থাকা ব্রাউন ফ্যাটকে কর্মক্ষম করে তোলে। এ কারণে ওজন কমাতে এটি খুব ভালো কাজ করে।

সরিষার তেলের উপকারিতা
ওজন কমানো ছাড়াও সরিষার তেলের রয়েছে আরো অনেক বেশি উপকারিতা। এই তেলে রয়েছে মনোস্যাচুরেটেড ও পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট যা হার্টের জন্য খুবই উপকারি। এটি শরীরের জন্য ভালো এমন কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।

সরিষার তেলে গ্লুকোসিনোলেট উপাদানের উপস্থিতির কারণে এটিকে ক্যান্সার প্রতিরোধকও বলা হয়ে থাকে। এটি কলোরেক্টাল ও গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টিনাল উপাদানের মতো ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে খুব ভালো কাজ করে।

রান্না ছাড়াও, সরিষার তেল আরো নানাভাবে ব্যবহার করা যায়। পেশাতে ব্যাথা হলে গরম সরিষার তেল দিয়ে মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়। অনেকেই মনে করেন, সরিষার তেল পায়ের পাতা ও বুকে মালিশ করলে সর্দি-কাশি থেকে উপকার পাওয়া যায়।

তবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কোনকিছুই ভালো নয়। সরিষার তেল ব্যবহারের ক্ষেত্রেও এটি প্রযোজ্য। ডুবো তেলে ভাজা খাবার এড়িয়ে চলুন। রান্নার সময় অবশ্যই প্রয়োজনের বেশি তেল ব্যবহার করবেন না।
তবে অবশ্যই তেলটি সঠিকভাবে গরম করে তারপর তাতে রান্না করুন। শুধুমাত্র সঠিকভাবে গরম করে রান্না করলেই আপনি সরিষার তেলের সর্বোচ্চ উপকার পেতে পারেন।


বিশেষ তেলের রহস্যভরা উপকারিতা!

বিশেষ তেলের রহস্যভরা উপকারিতা!

 রান্নার কাজে কিংবা ত্বক ও চুলের যত্নে সমানভাবে কার্যকর এই তেল। উপকারী এই তেলের অপকারিতা নেই বললেই চলে। বলছি, সরিষা তেলের কথা। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রসহ আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানও এ বিষয়ে একমত।

বাজারে সয়াবিন তেলের দাম চওড়া হওয়ায় তা প্রায় সরিষা তেলের দামকেই স্পর্শ করে ফেলেছে। তাই রান্নায় সয়াবিন তেলের পরিবর্তে ব্যবহার করতে পারেন পুষ্টিগুণে উপকারী সরিষার তেল।

সরিষার তেলে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর উপাদান। এই তেলে স্যাচুরেটেডের তুলনায় আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি। এই আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটই আমাদের শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী।
চিকিৎসকরা বলছেন, এই আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। পাশাপাশি সিএইচডির ঝুঁকি কমাতেও কার্যকরী।

যারা ওজন কমাতে চান, তারা রান্নায় অবশ্যই এই তেল ব্যবহার করতে পারেন। কারণ, রান্নায় এই তেল নিয়মিত ব্যবহার করলে তা ওজন কমাতে দারুণ কাজ করে।

তা ছাড়া এই তেলে মনোস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকায় তা পেটের নানা ধরনের সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম। হজমশক্তির অনেকটাই উন্নতি হয় খাবারে সরিষা তেলকে প্রাধান্য দিলে।

রান্নায় নিয়মিত সরিষা তেল ব্যবহার করলে হার্ট, হাড় ও স্নায়ুতন্ত্রের সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। সেই সঙ্গে সুরক্ষিত হয় সুস্বাস্থ্য ও ত্বকের যত্নও।

সরিষা তেলে থাকা ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড লিভারের কার্যকারিতাও উন্নত করে। এই তেলের রান্নায় শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ে না, তেলটি রক্তে চর্বির মাত্রাও হ্রাস করে।

এই তেলের গ্লুকোসিনোলেটের উপস্থিতি কলোরেক্টাল ও গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনালের মতো ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। হাড় বা মাংসপেশির যেকোনো ব্যথায় এই তেলের ম্যাসাজে অনেকটাই আরাম মেলে। দূর হয় ক্লান্তি ও অবসাদ।

সরিষার তেলে রয়েছে ভিটামিন এ, ই এবং বি কমপ্লেক্স। যার ফলে রোদে পোড়া ভাব, বলি রেখা, কালো দাগ দূর করতে এই তেল ম্যাজিকের মতো কাজ করে।
এই তেলে অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙাল উপাদান থাকায় ত্বকের শুষ্কতা ও চুলকানি রুখতেও সরিষার তেল বিশেষ কাজে আসে।

সরিষা তেলের পরিপূর্ণ উপকারিতা পেতে অপরিশোধিত তেল ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। চেষ্টা করুন এই তেলে ভাজা কোনো খাবার এড়িয়ে চলতে।

সূত্র: নিউজ ১৮ বাংলা 


সরিষার তেল কী ত্বকের জন্য উপকারী

সরিষার তেল কী ত্বকের জন্য উপকারী

 রান্নায় স্বাদ বাড়াতে সরিষার তেলের জুড়ি নেই। এছাড়া মুড়ি মাখা থেকে শুরু করে সব ধরনের ভর্তায় সরিষার তেলের ব্যবহার করা হয়। খাওয়া-দাওয়া ছাড়াও সরিষার তেল ত্বকের জন্যও বেশ উপকারী।  

অনেক চিকিৎসকের মতে, ত্বকের যত্নে অন্য তেলের চেয়ে সরিষার তেল বেশি ভালো। তবে সেটা হতে হবে খাঁটি।

ত্বকের পরিচর্যায় কীভাবে ব্যবহার করবেন এই তেল?

১. বর্ষা এলেই চুলকানি, ঘায়ের সমস্যা বাড়ে। সরিষার তেল অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদানে ভরপুর। তাই অ্যালার্জি ও র‍্যাশের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে এই তেল।

২. সরিষার তেলে ভিটামিন এ, ই এবং বি কমপ্লেক্স রয়েছে। ফলে এটি বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে।

৩. অনেকেরই সারা বছর ফাটা ঠোঁটের সমস্যা থাকে। রাতে শোওয়ার আগে ঠোঁটে দু’-তিন ফোঁটা সরিষার তেল লাগাতে পারেন।এতে ঠোঁট ফাটা সমস্যা কমবে।

৪.প্রতিদিন রোদে বেরোলে ত্বকে পোড়া দাগ পড়ে। ত্বকের দাগছোপ তোলার জন্য বেসন, দই, লেবুর রসের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে মুখ-ঘাড়ে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ঠান্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলতে হবে। সপ্তাহে তিন দিন এই তেল দিয়ে তৈরি এই মাস্ক ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে।

৫. রোদে পুড়ে ত্বকে কালো দাগ পড়লে সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন। সেক্ষেত্রে সমপরিমাণে সরিষার তেল ও নারকেল তেল মিশিয়ে প্রতি রাতে পনেরো মিনিট ত্বকে মালিশ করতে হবে। তার পর ফেসওয়াশ দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। কয়েক দিন এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরে আসবে।


Tuesday, August 16, 2022

ত্বক ফর্সা হবে সরিষার তেল ব্যবহারে

ত্বক ফর্সা হবে সরিষার তেল ব্যবহারে

স্বাস্থ্য, ত্বক ও চুল সব ক্ষেত্রেই সরিষার তেল অসামান্য কাজ করে। নিয়মিত রান্নায় এই তেলের ব্যবহার অত্যন্ত স্বাস্থ্যসম্মত। ঠিক তেমনি রুপচর্চায় এর কার্যকারিতাও বহুল। ত্বক ও চুলের যত্নে এই তেল প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এবার তবে জেনে নিন সরিষার তেল ত্বকের যত্নে কতটা উপকারী-

১. ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে প্রতি রাতে সরিষা ও নারকেল তেল মিশিয়ে দশ মিনিট ত্বকে ম্যাসাজ করুন। তারপর ভালো করে মুখ ধুয়ে ঘুমাতে গেলে ত্বক হবে নরম ও উজ্জ্বল।

২. ত্বকের রোদে পোড়া দাগ ঠেকাতেও সরিষার তেলের জুড়ি মেলা ভার। এজন্য বেসন, দই ও লেবুর রসের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে মুখে ও ঘাড়ে ১০ থেকে ১৫ মিনিট ব্যবহার করুন। এরপর ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

৩. এই তেলে রয়েছে ভিটামিন এ, ই এবং বি কমপ্লেক্স। নিয়মিত সরিষার তেল ব্যবহারে ত্বকে বার্ধ্যক্যের ছাপ পড়ে না। 

৪. সানস্ক্রিন না থাকলেও সমস্যা নেই। এর পরিবর্তে সামান্য সরিষার তেল ব্যবহার করুন। সূর্যের ক্ষতিকারক আলট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে বাঁচাবে। 

৫. এছাড়াও সরিষার তেলে রয়েছে অ্যান্টি ব্যাকটিরিয়াল ও অ্যান্টি ফাঙ্গাল উপাদানে ভরপুর। তাই অ্যালার্জি, র‌্যাশ, চুলকানি ও শুষ্ক ত্বকের জন্য এটি খুবই ভালো একটি উপাদান।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস


সরিষার তেল : খাবেন না মাখবেন?

সরিষার তেল : খাবেন না মাখবেন?

 শুধু ঝাঁজেই নয়, মুখের রসনা বাড়াতে খাবারের স্বাদ রাঙাতে, ত্বকের যত্নে, এমনকি গাঁটের ব্যথা কমাতে সরিষার তেলের তুলনা নেই। সরষে ইলিশ থেকে শুরু করে মুড়িমাখা ও শরীরের সব জায়গায় মালিশ করা যায় সরিষার তেল। জেনে নিন কী কী উপকার মেলে এই তেল থেকে-

মগজ শানাতে

চিকিৎসা বিজ্ঞান বলে, সরিষার তেল মস্তিষ্কের জন্য ভীষণ উপকারী। বিশেষ করে অবসাদ কাটাতে, স্মৃতিশক্তি আর মনঃসংযোগ বাড়াতে এই তেল যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই আজকে থেকে রান্নাটা সরিষার তেলেই শুরু করুন।

খিদে বাড়াতে

খিদে বাড়াতে সরিষার তেলের কোনো তুলনা নেই। তাই ক্ষুধামন্দায় ভুগলে রান্নায় ব্যবহার করুন এ তেল।

হাড়ক্ষয় রোধে

সরিষার তেল মালিশে হাড়ক্ষয় রোধ হবে। ঈষদুষ্ণ তেল মাখলে কমবে আরথ্রাইটিস ও।

ক্যানসার প্রতিরোধে

বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা জানিয়েছে, ক্যানসার প্রতিরোধের অনেক গুণ সরিষার তেলে রয়েছে | এই তেলে থাকা লিনলেনিক অ্যাসিড ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডে পরিণত হলে তা স্টমাক আর কোলন ক্যানসার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে |

ব্যথা নাশে

আচমকা চোট পেয়ে হাত-পায়ের পেশি অবশ হয়ে গেলে সরিষার তেল হালকা গরম করে ব্যথার উপর মালিশ করুন| দ্রুত সাড়া ফিরে পাবেন।

হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখতে

সরিষার তেলে প্রচুর পরিমাণে মনো-স্যাচুরেটেড ও পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড, ওমেগা থ্রি ও সিক্স ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে| তাই রান্নায় রোজ সরিষার তেল খেলে হার্ট ডিজিজ হওয়ার প্রবণতা প্রায় ৫০ শতাংশ কমে যায়| এছাড়াও, সরিষার তেল শরীরের খারাপ কোলেস্টরেল-এর পরিমাণ কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল-এর মাত্রা বাড়িয়ে দেয়| এতে হার্ট ভালো থাকে| চট করে হার্টের অসুখে ভোগার সম্ভাবনাও কমে যায়|

সর্দি কাশি কমাতে

সর্দি কাশি কমাতে সরিষার তেলে রসুন থেঁতো করে ফুটিয়ে নিন| ঈষদুষ্ণ অবস্থায় বুকে-পিঠে মালিশ করুন| রোজ রাতে শোয়ার সময় এই টোটকা ব্যবহার করলে বুকে জমা কফ উঠে আসবে।

প্রাকৃতিক সানস্ক্রিন হিসেবে

কী দরকার বাজারের ক্ষতিকারক সানস্ক্রিন ব্যবহার করার? হাতের কাছে সরিষার তেল থাকলে সানস্কিন হিসেবে নিশ্চিতে ব্যবহার করে ফেলুন।

ত্বকের যত্নে

সরিষার তেলে এন্টি ব্যাকটেরিয়াল আর এন্টি ফাংগাল উপাদান এলার্জি, রাশ কমাতে সাহায্য করে| শীতে অনেকেই তাই সরষের তেল মেখে স্নান করতে পছন্দ করেন | এছাড়াও এই তেল মাখলে ত্বকের ময়েশ্চার বজায় থাকে| ত্বক ফাটে কম।

কেএইচ/এমকে


চুলে সরিষার তেল ব্যবহারে যেসব ভুল করা যাবে না

চুলে সরিষার তেল ব্যবহারে যেসব ভুল করা যাবে না

 উপমহাদেশে প্রাচীনকাল থেকে চুলে সরিষার তেল ব্যবহার হয়ে আসছে। এ তেল ব্যবহারে রয়েছে অনেক উপকার। তবে সঠিক নিয়মে এ তেল ব্যবহার করতে হবে।

চুলের যত্নে সরিষার তেল প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে। বিশেষ করে চুলে জট পড়া রুক্ষ চুলের রাশিকে নরম ও মোলায়েম করে তোলে এই তেল। ডিপ কন্ডিশনিং করে বলে সরিষার তেলের নিয়মিত ব্যবহারের ফলে চুল হয়ে ওঠে উজ্জ্বল ও নরম। ছবি: সংগৃহীত

ডগাচেরা চুল ও খুসকির সমস্যাও দূর করে সরিষার তেল। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্যের জন্য সরিষার তেলের ফলে খুসকিও কমে যায়। ছবি: সংগৃহীত

এতো উপকারিতা সত্ত্বেও ও সরিষার তেলই চুলের জন্য চরম অপকারী হয়ে উঠতে পারে। ঠিকমতো ব্যবহার না করা হলে সরিষার তেলই চুলের জন্য হিতে বিপরীত হয়ে উঠতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

সরিষার তেল ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নিন। তাহলে বুঝতে পারবেন সরিষার তেল থেকে আপনার ত্বকে কোনো সংক্রমণ হতে পারে কিনা। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্বন্ধে নিশ্চিত হয়ে তবেই চুলে সরিষার তেল দিন। ছবি: সংগৃহীত

অয়েলি স্ক্যাল্প বা তেলতেলে মাথায় সর্ষের তেল একদমই দেবেন না। তাহলে ত্বকের পোরস আটকে গিয়ে চুলের হাইড্রেশন কমে যেতে পারে। ছবি: সংগৃহীত

নেকেই রাতভর তেল মেখে থাকেন। সরিষার তেল সারারাত দিয়ে রাখবেন না। এতে স্ক্যাল্প খুব চিটচিটে হয়ে পড়বে। শ্যাম্পু করার পরও স্ক্যাল্প ভালো পরিষ্কার হবে না। তাই গোসলের আধঘণ্টা আগে চুলে সরিষার তেল মাখলেই যথেষ্ট। ছবি: সংগৃহীত

সরিষার তেল সবসময় গরম করে চুলে দিন। গরম করলে সরিষার তেল অনেক পাতলা ও হালকা হয়ে যায়। ফলে চুল সহজেই সরিষার তেল শোষণ করে নেয় এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি লাভ করে। ছবি: সংগৃহীত


যেভাবে বুঝবেন সরিষার তেল আসল না নকল

যেভাবে বুঝবেন সরিষার তেল আসল না নকল

 রান্নার ক্ষেত্রে অনেকেই সয়াবিন তেল ব্যবহার করে থাকেন। তবে এখন অনেকেই অলিভ ওয়েল ব্যবহার করেন। আবার অনেকে এখনও সরিষার তেলই ব্যবহার করেন। তারা দাবি করেন, এতে খাবারে তীব্র সুভাস বা স্বাদ বাড়িয়ে দেয়। তবে সরিষার তেল রান্নায় স্বাদের পাশাপাশি স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সরিষার তেল স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এবং পাশাপাশি এটি ত্বক এবং চুলের জন্যও খুব উপকারী।
এ তেলে রয়েছে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল উপাদান, যা বিভিন্ন ক্ষতিকর জীবাণুকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে সরিষার তেল বিদ্যমান ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের বিভিন্ন ব্যথা, যন্ত্রণায় উপশম ঘটাতে সাহায্য করে।

বিভিন্ন পরীক্ষায় দেখা গেছে, শরীরের ক্যানসার কোষগুলো দ্রুত ধ্বংস করতে এ তেলের ভূমিকা রয়েছে। পাশাপাশি এটিতে মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদপিণ্ডের জন্যও দারুণ উপকারী। যা বিভিন্ন হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এ ছাড়া শীতের মৌসুমে ঠান্ডা লাগার হাত থেকে শরীরকে রক্ষাও করে সরিষার তেল।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সরিষার তেল কেনার সময় অবশ্যই পরীক্ষা করে কিনতে হবে এটি আসল না নকল। তবে কীভাবে জানবেন এটি আসল না নকল? আসুন জেনে নেওয়া যাক।

সর্ষের তেল দোকান থেকে কেনার পর ২ থেকে ৩ ঘণ্টা ফ্রিজে রেখে দিন। এরপর যদি দেখেন, সরিষার তেলের উপর সাদা রঙের কোনো আস্তরণ দেখা দিয়েছে, তাহলে বুঝে নিতে হবে সেটি নকল তেল।

কেনার সময় কয়েক ফোঁটা হাতের তালুতে নিয়ে ভালোভাবে ঘষুন। যদি কোনো গন্ধ পান বা হাতের রঙ বদলে যায়, তাহলে বুঝবেন সেটিতে অন্য কোনো উপাদান মেশানো রয়েছে। সেই সরিষার তেল ১০০ শতাংশ আসল নয়।

সূত্র: এবিপি আনন্দ


Monday, June 27, 2022

মূলধন / বিনিয়োগকারী আবশ্যক!!

মূলধন / বিনিয়োগকারী আবশ্যক!!

 মূলধন / বিনিয়োগকারী আবশ্যক!!

প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এফ.এম কম্পিউটার আইটি লিমিটেড সাব সিডিউর বিজনেস হিসেবে পাচক সরিষার তৈল উৎপাদন করতে যাচ্ছে যাহার দরুন এর ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য সল্প পরিসরে কিছু বিনিয়োগ প্রয়োজন।
সম্পুর্ন ইসলামী শরিয়া মোতাবেক ব্যবসার লভ্যাংশ শেয়ার করা হবে। যা লাখ প্রতি অনুমানিক ২ থেকে ৫ হাজার হতে পারে।।অথবা অত্র এফ.এম কম্পিউটার আইটি লিঃ এর শেয়ার কিনে কোম্পানীর অংশীদার হতে পারেন।
আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের কে বিস্তারিত আলোচনা এবং তথ্যের জন্য আমাদের পেজে নক করতে পারেন অথবা সরাসরি আমাদের অফিসে এসে কথা বলতে পারেন -
অফিস ঠিকানা: সেলিম আহমেদ কমার্শিয়াল কমপ্লেক্স মার্কেট, কামরাঙ্গাচালা, মৌচাক, কালিয়াকৈর, গাজীপুর।
প্রধান কার্যালয়ঃ বাড়ী#২৮৬, লোহাকৈর, কাশিমপুর, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন, গাজীপুর-১৭৪৬

Friday, June 24, 2022

Monday, June 20, 2022

সরিষার তেল পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।

সরিষার তেল পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে।

 সরিষার তেল পরিপাক, রক্ত সংবহন ও রেচনতন্ত্রের শক্তিশালী উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া খাওয়ার পাশাপাশি বাহ্যিকভাবে শরীরে মালিশ করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন এবং ঘর্মগ্রন্থি উদ্দীপিত হয় এবং শরীরের তাপমাত্রা কমে। সরিষার তেলে গ্লুকোসিনোলেট নামক উপাদান থাকে, যা অ্যান্টিকারসিনোজেনিক উপাদান হিসেবে পরিচিত।


সরিষার তৈলের ব্যবহার

সরিষার তৈলের ব্যবহার

 সরিষার তেল হার্ট, হাড়, হজম ও স্নায়ুতন্ত্রের জন্য স্বাস্থ্যকর। এতে মনোস্যাচুরেটেড ও পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। যারা পেটের বিভিন্ন সমস্যায় ভোগেন তারা প্রতিদিনের রান্নায় সরিষার তেল ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। এই তেল হজমশক্তি বাড়ায়।


 সরিষার তেল উদ্দীপক হিসাবে পরিচিত

সরিষার তেল উদ্দীপক হিসাবে পরিচিত

 সরিষার তেল উদ্দীপক হিসাবে পরিচিত এবং অন্ত্রে পাচক রস উত্পাদনে সাহায্য করে, তাই হজম প্রক্রিয়া দ্রুত হয়। এছাড়াও একই প্রক্রিয়ায় আমাদের সিস্টেমে পাচক রস উৎপাদন বাড়িয়ে বাড়িয়ে ক্ষুধা সহায়তা করে। এছাড়াও সরিষা তেল ঠান্ডা এবং কাশি উপশমে সহায়ক প্রমাণিত হয়েছে। এটি শ্বাসযন্ত্রের নালীর থেকে কফ অপসারণেও সাহায্য করে।


Sunday, June 19, 2022

পাচক খাঁটি সরিষার তেল

পাচক খাঁটি সরিষার তেল

 #আসুন প্রস্তুত হই 

আশির দশকে আমাদের দেশে সয়াবিন তেলের ব্যবহার শুরু হয়। খুব সম্ভবত জাতিসংঘের রিলিফ কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে। ধীরে ধীরে সয়াবিন তেল চালু হয় নব্বইয়ের দশকের শুরুতেও আমরা গ্রামে সয়াবিন তেল বিক্রি হতে দেখিনি।
আমার মতে, এদেশে সয়াবিন তেল চালু করা হয়েছে সম্পূর্ণ অপরিকল্পিতভাবে। বা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিদেশ নির্ভর করতে কাজটি করা হয়েছে। যে সয়াবিন ও পাম আমরা উৎপাদন করি না, তা থেকে উৎপাদিত তেল কীভাবে আমাদের খাবারের আবশ্যকীয় উপাদান হতে পারে?
আমাদের দেশে উৎপাদিত হয় সরিষা, আমাদের মূল ব্যবহার্য তেল হবে সরিষা। সরিষার তেলই ক্রেতাদের নাগালে আনতে হবে। এ নিয়ে উদ্যোক্তাদের ভাবতে হবে।
পাশাপাশি, গরুর খামারের দিকে নজর দিতে হবে। বলা হচ্ছে, গরু পালনে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ। যদি তাই হয় তবে গরুর মাংসের দাম এত বাড়বে কেন? আসলে কী খামারিরা লাভ করছে নাকি অন্যকেউ? গরু পালনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলে দুগ্ধজাত পন্যের সহজলভ্যতা তৈরি হওয়ার কথা। বিশেষ করে ঘি। অল্প ঘিতেই অনেক তেলের কাজ হয়। কিন্তু আসলেই কি গরু পালনে আমরা এগিয়েছি?
দক্ষিণাঞ্চলে তরকারিতে নারকেল দেওয়া হয়। এটা তেলের কাজই করে।
আরও সম্ভাবনা রয়েছে রাইস ব্রান অয়েলের। ধানের তুষ থেকে তৈরি এ তেলের ওপর আমরা নির্ভর করতে পারি।
আমার মনে হয়, তিল, তিষি, সরিষা, ঘি, নারকেল, বাদাম উৎপাদন বাড়ালে আমরা ধীরে ধীরে সয়াবিনের ক্ষতিকর ও অবাস্তব প্রভাববলয় থেকে বেরিয়ে আসতে পারবো।
একটা চাইনিজ প্রবাদ দিয়ে লেখাটি শেষ করতে চাই। সেটা হলো যা তুমি বানাতে পারো না তা খাওয়ার অভ্যাস করো না। সয়াবিনের মতো আরও কিছু জিনিস আছে যেগুলোর বিকল্প ভাবতে হবে।

 আসল বা খাঁটি সরিষার তেল

আসল বা খাঁটি সরিষার তেল

 আসল বা খাঁটি সরিষার তেল এর তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ হয় না। কিন্তু নকল সরিষার তেল এ তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ থাকে।তাই ঝাঁঝালো তৈল খুঁজতে গিয়ে নকল তৈল খাচ্ছেন নাতো? পাচক খাঁটি সরিষার তৈল, নিখাদ সরিষা বীজে বিশুদ্ধ প্রতিটি ফোঁটা।।।