উপমহাদেশে প্রাচীনকাল থেকে চুলে সরিষার তেল ব্যবহার হয়ে আসছে। এ তেল ব্যবহারে রয়েছে অনেক উপকার। তবে সঠিক নিয়মে এ তেল ব্যবহার করতে হবে।
চুলের যত্নে সরিষার তেল প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহার হয়ে আসছে। বিশেষ করে চুলে জট পড়া রুক্ষ চুলের রাশিকে নরম ও মোলায়েম করে তোলে এই তেল। ডিপ কন্ডিশনিং করে বলে সরিষার তেলের নিয়মিত ব্যবহারের ফলে চুল হয়ে ওঠে উজ্জ্বল ও নরম।
ডগাচেরা চুল ও খুসকির সমস্যাও দূর করে সরিষার তেল। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্যের জন্য সরিষার তেলের ফলে খুসকিও কমে যায়।
এতো উপকারিতা সত্ত্বেও ও সরিষার তেলই চুলের জন্য চরম অপকারী হয়ে উঠতে পারে। ঠিকমতো ব্যবহার না করা হলে সরিষার তেলই চুলের জন্য হিতে বিপরীত হয়ে উঠতে পারে।
সরিষার তেল ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নিন। তাহলে বুঝতে পারবেন সরিষার তেল থেকে আপনার ত্বকে কোনো সংক্রমণ হতে পারে কিনা। পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্বন্ধে নিশ্চিত হয়ে তবেই চুলে সরিষার তেল দিন।
অয়েলি স্ক্যাল্প বা তেলতেলে মাথায় সর্ষের তেল একদমই দেবেন না। তাহলে ত্বকের পোরস আটকে গিয়ে চুলের হাইড্রেশন কমে যেতে পারে।
অনেকেই রাতভর তেল মেখে থাকেন। সরিষার তেল সারারাত দিয়ে রাখবেন না। এতে স্ক্যাল্প খুব চিটচিটে হয়ে পড়বে। শ্যাম্পু করার পরও স্ক্যাল্প ভালো পরিষ্কার হবে না। তাই গোসলের আধঘণ্টা আগে চুলে সরিষার তেল মাখলেই যথেষ্ট।
সরিষার তেল সবসময় গরম করে চুলে দিন। গরম করলে সরিষার তেল অনেক পাতলা ও হালকা হয়ে যায়। ফলে চুল সহজেই সরিষার তেল শোষণ করে নেয় এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি লাভ করে।

0 comments: